Posts

বিদেশী শিক্ষিকা ও এক আন্টিকে

Image
  ঘোড়ায় চড়ার মত করে আমার মাজার ওপর বসে, নিজের দু পা হাঁটু গেড়ে আমার দু ধারে রেখেছে। আমি ওর কোমরটাকে শক্ত করে ধরে ওকে একটু সাহায্য করতেই নাটালিয়া ওর পায়ে জোর দিয়ে নিজেকে উঁচু করে ওর ভোঁদাটাকে আমার বাড়ার ঠিক আগায় ছোঁয়ালো। আমার ঠোঁট কাম্ড়াতে কাম্ড়াতে, নিজের গুদটাকে গলিয়ে দিল আমার নুনুর ওপরে। সেই সাথে একটা হালকা হুংকার ছাড়লো। একটু আগেই ও আমার বাড়া চুষে মাল বের করেছে। সেই সুবাদে ওর গুদ এখন নারী রসে ভিজে চপ্চপ্ করছে। বুঝলাম চোদা চোদি চলবে বেশ কিছুক্ষণ ধরে। আমি বিছানায় শুয়ে। আমার ওপরে শুয়ে আমার ঠোঁট কাম্ড়ে ধরে আমাকে চুদছে আমার ৪০-বছর বয়সী শিক্ষিকা নাটালিয়া শুল্ট্সমান। বাংলা চটি আন্টি ওর শরীরে বয়সের চিহ্ন নেই, নেই কোনো মেদ। দুখ গুলো যেন পাকা ডাঁসা আম জার ওপরের বোঁটা দুটো এখন যৌন উত্তেজনায় শক্ত হয়ে আছে। পাছাটা দুটো বাতাবি লেবুর মতন টন্টনে। বিকালের আলোতে নাটালিয়ার বাদামী রঙের শরীরটাকে দেখে মনে হচ্ছে যেন সেটা আগুন দিয়ে তৈরি। আমি একটু উঠে নিজের মুখ নিলাম ওর বুক বরাবর, তারপর যেন দীর্ঘদিনের খিদে মিটিয়ে ওর গোলাপী বড় বোঁটা টা চুষতে শুরু করলাম। ও একটু চিৎকার করে উঠতেই আম...

হোস্টলে ইকেট্রিক মিস্ত্রিকে দিয়ে

Image
আমি পেশায় একজন ইকেট্রিক মিস্ত্রি। নাম ফয়সাল, বয়স ত্রিশের আশেপাশে। সাধারনত এলাকা বা আশে পাশে সবার ইকেট্রিক এর কাজ করি আমি, এই সুবাদে এলাকার কলেজের হোস্টেল এর ম্যানেজার তাদের হোস্টেল এর সকল কাজও আমাকে দিয়ে করেন। সেদিন বিকেলে আমার ফোনটা বেজে উঠলো, কলেজের হোস্টেলের তিনতলার একটা রুমে সকাল থেকেই কারেন্ট নাই, তাই আমি যেন এখনই একটু যাই সেখানে। টুলবক্স কাঁধে নিয়ে রওনা দিলাম। হোস্টেলের গেটে গার্ড আমাকে চেক করে ভিতর এ যাওয়ার অনুমতি দিলো। যেহেতু গার্লস হোস্টেল ছেলেদের ঢোকা মানা, তাই একটি মেয়ে আগেই সবাইকে চিতকার করে বলে দেয় যদি কোনো ছেলে কোনো কারণে উপরে যায়। সেদিন সেই মেয়েটিকে দেখছিলাম না। সিঁড়ি দিয়ে উঠছি, দোতলার করিডরে একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে, শুধু একটা পাতলা সালোয়ার আর ব্রা জড়ানো। ভেজা চুল, পানি তার দুধের উপর দিয়ে গড়াচ্ছে, ব্রা না পড়লে হয়ত তাকে আমি এইখানেই চুদে দিতাম। তার পাছা উঁচু, দুধের বোঁটা গুলো উফফ সেই লাগছে। বাড়া টনটন করে উঠলো। সে আমাকে দেখে তাড়াতাড়ি রুমে ঢুকে গেলো। এরপর আমি তিনতলায় ৩০৫ নম্বর রুম এই গেলাম, যেখানে কারেন্ট এর প্রব্লেম। দরজা খুললো একটি হট আগুন মেয়ে, বয়স...

বান্ধবীকে প্রথম

Image
কলেজ শুরু হইলো। সাথে সাথে প্রাইভেট ও শুরু হইলো। অনেক নতুন নতুন মুখের দেখা, আবার একটা দুইটা চেনাও আছে। আমি আমার ব্যাচে বয়সে সবার বড়ো। বাড়ির কাছের আমার সমান সব মেঁয়ের বিয়া শেষ । যাই হোক এখানে এত নতুন মুখ, তাকাতেও লজ্জা লাগে, তাই একটু নিচু করে তাকাই। এভাবে একদিন ভাবলাম নিচু দেখলেই ভালো বুকটা ভালো করে দেখা যায় অনেকক্ষন। কিছু বলতেও পারবে না, ভাববে লজ্জা পায়। দেখলাম কিছুদিন। কত বড় বড় মেয়ে। পাছা বুক দেখলে মনে হয় কাকী। শহরের গুলা বেশিরভাগ এমনি হয়, কেমন কইরা এত বড় হয় কে জানে। দেখতে দেখতে প্রথম সেমিস্টার কাইটা গেলো। তখন ভালোই কথা বার্তা হয়। Whatsaap এ কথা বলি অনেকের সাথে। ভালো লাগে খুব ( তখনো খেচা শিখি নাই)! একদিন কলেজ থেকে পিকনিক নিয়া যাবে। আমার শহর থেকে যাবো আমি আর একটা মেয়ে ( নাম বলবো না)। অনেক দূরে পাহাড়ে যাবো পিকনিক তাই সাড়ে ৬ টায় কলেজের সামনে বাস দাঁড়াবে। আমাদের শহর থেকে কলেজ দেড় ঘন্টার রাস্তা। তাহলে খুব ভোরে বের হতে হবে। আমি এখান থেকেই যাবো সকাল বেলা । বেছিলাম মেয়েটা ওখানেই কোথাও থাকবে গিয়ে আগেরদিন। কিন্তু হঠাৎ আগেরদিন রাত ১১ টায় ফোন করে আমাকে , তখন আমি গামছা পড়ে ঘুমা...